জন্ম নিবন্ধন যাচাই 19860915428117351 আসলে কি?

জন্ম নিবন্ধন যাচাই 19860915428117351 আসলে কি?

কেউ যদি জন্ম নিবন্ধন সনদ যাচাই করতে চাই তাহলে অবশ্যই তাকে ১৭ ডিজিটের নাম্বার সংগ্রহে রেখে এটা যাচাই করতে হবে। ১৭ ডিজিটের যদি কম হয়ে থাকে তাহলে ওয়েবসাইটের নিয়ম অনুযায়ী এটা যাচাই করা যাবে না অথবা চেক করে নেওয়া যাবে না। তাই আপনার তথ্যগুলো অনলাইন করা হয়েছে কিনা অথবা অনলাইনে কর্তৃপক্ষ আপলোড করেছে কিনা এ বিষয়ে নিশ্চয়তা রাখার জন্য অবশ্যই আমরা জন্ম নিবন্ধন যাচাই করে দেখব। জন্ম নিবন্ধন সনদ যাচাই করার মধ্য দিয়ে যদি আমরা কোথাও কোন ধরনের ভুল পরিলক্ষিত করতে পারি অথবা আমাদের কাছে এটা যদি ভুল বলে প্রমাণিত হয় তাহলে ঊর্ধাতন কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা সমাধান করে দিবেন। তাই এই পোষ্টের মাধ্যমে আপনাদের উদ্দেশ্যে জন্ম নিবন্ধনের সনদ কিভাবে যাচাই করতে হয় সে প্রসঙ্গে বিস্তারিত হবে জানিয়ে দেওয়া হল।

জন্ম নিবন্ধন যাচাই কেন করতে হয়

কোন শিশু যখন জন্মগ্রহণ করে তখন স্থানীয় সরকার বিভাগের কাছে একটি আবেদন পত্র জমা দিলে তারা সেই অনুযায়ী এটার অরজিনাল ডকুমেন্টস আমাদেরকে প্রদান করে থাকে। তবে বর্তমান সময়ে জন্ম নিবন্ধন সনদের বিষয়ে বেশ কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হচ্ছে এবং এক্ষেত্রে আমাদের কাছে যদি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকে তাহলে আমরা নিয়ম অনুযায়ী এগুলো আপডেট করতে পারছি না। তাই আমাদেরকে অবশ্যই জন্ম নিবন্ধন তৈরি করার ব্যাপারে সচেতন ভূমিকা পালন করতে হবে এবং আমরা যদি সচেতন ভূমিকা পালন করতে না পারি তাহলে অনেক সময় জন্ম নিবন্ধন সনদ যাচাই করে কোন তথ্যই খুঁজে পাবো না। জন্ম নিবন্ধন সনদের তথ্য খুঁজে পাওয়ার মাধ্যমে আপনি নিশ্চিত হতে পারবেন এটা অনলাইনে আপলোড করা হয়েছে এবং যেকোনো মুহূর্তে এটা চাইলে প্রিন্ট করার আবেদন করতে পারেন।

জন্ম নিবন্ধন সনদের সমস্যা রয়েছে এমন ব্যক্তির সংখ্যা কম নয়। অতীতের তথ্য নিবন্ধন করার সময় আপনারা খুব একটা গুরুত্ব সহকারে তথ্য প্রদান করেননি এবং অন্যান্য ডকুমেন্টস এর সঙ্গে তথ্য মিল রেখে প্রদান করেনি বলে এখন আপনাদের এগুলো সংশোধন করার প্রয়োজন পড়ছে। তাই আমরা যেহেতু আপনাদের উদ্দেশ্যে জন্ম নিবন্ধন সনদ বিষয়ক বিভিন্ন তথ্য প্রদান করে আসছি সেহেতু আপনারা এখান থেকে সেগুলো জানতে পারছেন এবং সেই অনুযায়ী কাজ করতে পারছেন। তাই আপনার জন্ম নিবন্ধন সনদ সংক্রান্ত কোনো কাজ যদি করার প্রয়োজন হয় অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদের বিষয়গুলো যদি আপনাদের কাছে জরুরি হয়ে থাকে তাহলে তথ্য চেক করে নিতে পারলেই নিশ্চিত হতে পারবেন।

যখন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়নি তখন আমরা এই ধরনের তথ্য যাচাই করার কোন সিস্টেম অনুসরণ করতাম না। আমাদের কাছে যেটা অরিজিনাল ডকুমেন্টস হিসেবে বিবেচিত হতো সেটাই ব্যবহার করতাম এবং যেকোনো কাজের ক্ষেত্রে সেটা ব্যবহার করে কোন ধরনের অসুবিধা বোধ করতাম না। কিন্তু বর্তমান সময়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যুগের জন্মসূত্রে প্রত্যেকের জন্ম নিবন্ধন সনদ থাকতে হবে এই নিয়ম চালু করা হয়েছে। তাই আপনার যদি জন্ম নিবন্ধন সনদ না থাকে অথবা আপনি যদি জন্ম নিবন্ধন সনদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা না রাখেন তাহলে এটা আপনার জন্যই ক্ষতি হবে। তাই আপনার জন্ম নিবন্ধন সনদ যদি ঠিকঠাক না থাকে তাহলে অবশ্যই এটা ঠিক করে নিতে হবে।

জন্ম নিবন্ধন নাম্বার কি

সাধারণত তথ্য অনুসন্ধান করার জন্য আপনারা টাইটেলে যে নাম্বার ব্যবহার করেছেন এটা একটা আদর্শ নাম্বার। এখানে প্রথমের যে চার ডিজিট ব্যবহার করা হয়েছে সেটা কোন একজন ব্যক্তির জন্ম সাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। তাছাড়া নির্দিষ্ট এলাকার নাম্বার এবং অন্য কোন নাম্বার সেখানে ব্যবহার করার মাধ্যমে এটা পূরণ করা হয়েছে। সেই সাথে শেষের ৫ ডিজিট এখানে সেই ব্যক্তির ব্যক্তিগত পরিচিতি নাম্বার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এভাবে জন্ম নিবন্ধন এর কাজ গুলো খুব সহজেই অনলাইন এর মাধ্যমে করা হচ্ছে বলে প্রত্যেকটি ব্যক্তির আলাদা আলাদা ব্যক্তিগত পরিচিতি নাম্বার রয়েছে।

তাই ব্যক্তিগত পরিচিতি নাম্বার যদি আপনার না থাকে অথবা আপনারা যদি এই নাম্বারটি ভুল করে থাকেন তাহলে তথ্য অনুসন্ধান করে পাওয়া যাবে না। তথ্য যাচাই করার উদ্দেশ্যে এসে থাকলেও এখানে ওয়েবসাইটের ভাষায় আপনাকে তথ্য অনুসন্ধান করতে হবে এবং একই প্রক্রিয়া হওয়ার কারণে আপনারা এই নিয়ম অনুসরণ করবেন। তথ্য যাচাই করা বা তথ্য চেক করার ক্ষেত্রে আপনাদেরকে আমরা একটি লিঙ্ক প্রদান করব অথবা আপনারা নির্দিষ্ট তথ্য লিখে সার্চ করার মাধ্যমে অফিশিয়াল ওয়েবসাইটের তথ্য যাচাই করার পেজে চলে যেতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনারা যদি গুগল ক্রোম ব্রাউজারে গিয়ে জন্ম নিবন্ধন সনদের তথ্য যাচায়ের অপশন সার্চ করে খুঁজে পাওয়ার জন্য বার্থ সার্টিফিকেট লিখে সার্চ করেন তাহলে একই লিঙ্ক আপনাদেরকে প্রদান করা হবে।

আর যদি মনে করেন এটা আপনারা লিংক ব্যবহার করার মাধ্যমে ওয়েবসাইটে ভিজিট করবেন তাহলে https://everify.bdris.gov.bd/ এই লিংক ব্যবহার করতে বলবো। এই লিংক ব্যবহার করে সরাসরি যখন আপনারা তথ্য যাচাই করার পেজে অথবা তথ্য অনুসন্ধান করার পেইজে যেতে পারবেন তখন সর্বপ্রথমে আপনাদেরকে ১৭ ডিজিটের ব্যক্তিগত পরিচিতি নাম্বার ব্যবহার করার কথা বলবেন। তাই উপরে টাইটেলে যে নাম্বার ব্যবহার করা হয়েছে সেটা সেই ব্যক্তি ব্যবহার করবে। আর এই ক্ষেত্রে আপনাদের ব্যক্তিগত পরিচিতি নাম্বার রয়েছে বলে আপনারা নিজ দায়িত্বে নিজেদের পরিচিতি নাম্বার ব্যবহার করবেন অথবা এই বার্থ রেজিস্ট্রেশন নাম্বার সঠিকভাবে ওয়েবসাইটে ইনপুট করে দিবেন। এভাবে আপনারা তথ্যগুলো সঠিকভাবে ওয়েবসাইটে লিপিবদ্ধ করার পরে আপনাদেরকে আরো কিছু কাজ করতে হবে। অর্থাৎ সেখানে তথ্য ইনপুট করার বিষয় রয়েছে।

১৬ ডিজিটের ব্যক্তিগত নাম্বার পাওয়ার উপায়

আপনারা তথ্য ইনপুট করার কাজে যে বিষয়গুলো অনুসরণ করবেন তার ভেতরে আমরা আপনাদেরকে জন্ম তারিখ প্রদান করতে বলবো। তথ্য নিবন্ধন এর সময় আপনারা যে জন্ম তারিখ প্রদান করেছিলেন সেটা প্রদান করতে হবে অথবা আপনার যেটা অরিজিনাল জন্ম তারিখ ও জন্ম সাল সেটা প্রদান করবেন। অধিকাংশ ব্যক্তি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এই কাজগুলো করে থাকেন বলে আপনাদের অনেক সময় ক্যালেন্ডার প্রদান করা হয় এবং সেখান থেকে আপনাদেরকে সর্বপ্রথম এর জন্ম মাস নির্বাচন করতে হবে। আপনার জন্ম মাসে পৌঁছানোর জন্য ডানে অথবা বামের অপশন ব্যবহার করতে হবে এবং নির্দিষ্ট মাসে এসে পৌঁছলে সেখানে যে তারিখ প্রদান করা আছে সেই তারিখের উপরে আপনাকে ক্লিক করতে হবে।

তাহলে দেখা যাবে যে আপনার জন্ম তারিখ এবং জন্ম মাস সঠিকভাবে প্রদান করা হলেও জন্ম সাল হিসেবে ২০২৩ প্রদান করা হচ্ছে। যদি জন্ম সাল ২০২৩ না হয়ে থাকে তাহলে আরো একবার সেখানে ক্লিক করতে হবে এবং আপনারা ২০২৩ কেটে দিয়ে যেটা আপনার অরিজিনাল জন্ম সাল সেটা প্রদান করতে পারবেন। এরপরে আপনাদেরকে ওয়েবসাইটের গণিতের সমস্যার সমাধান করতে হবে। ওয়েবসাইটে যে গণিতের সমস্যা দেখানো হচ্ছে সেটা আপনারা সমাধান করার চেষ্টা করবেন এবং সমাধান করতে গেলে অবশ্যই আপনাদেরকে বেশ কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। অর্থাৎ সেখানে যে সমস্যা তৈরি করা আছে সেটা আপনাদেরকে সঠিকভাবে প্রদান করতে হবে।

সঠিক উত্তর বসিয়ে দেওয়ার পরে আপনারা যখন সার্চ অপশনে ক্লিক করবেন তখন আপনাদের প্রদত্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে জন্ম নিবন্ধন সনদের তথ্য যাচাই করার জন্য পরবর্তী পেজে বিস্তারিত তথ্য সমৃদ্ধ বিষয়গুলো উপস্থাপন করা হবে। অর্থাৎ আপনার অরিজিনাল ডকুমেন্টস এর সঙ্গে সেখানে নিজেদের নাম এবং নিজেদের পিতা মাতার নাম মিলিয়ে দেখতে পারবেন। সেই সাথে জন্মতারিখ সঠিকভাবে দিয়ে দেওয়া আছে কিনা এবং আপনাদের বর্তমান ঠিকানা ও স্থায়ী ঠিকানা সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ হয়েছে কিনা তাও জেনে নিতে পারবেন। এছাড়াও আপনারা ওখান থেকে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিয়ে আপনাদের তথ্যগুলো যাচাই করে দেখতে পারবেন। কোনভাবে তথ্যের অসামঞ্জস্যতা লক্ষ্য হলে আপনারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা সমাধান করে

bdris.gov.bd